ডিএমপি নিউজ: ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম।
আজ বুধবার (১৯ এপ্রিল ২০২৩) আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম-বার, পিপিএম সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেন। এরপর ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন আইজিপি।

আইজিপি বলেন, প্রতি বছরই ঈদ ও রমজানে মার্কেটগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। মার্কেটের পাশাপাশি যাত্রী সাধারণ যাতে ঈদ উদযাপনের জন্য নির্বিঘ্ন বাড়িতে যেতে পারেন সেজন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইজিপি বলেন, বিগত বছরগুলোতে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের সারাদিন রাত রাস্তায় যানজটে বসে থেকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। এরই মধ্যে পদ্মা সেতু চালু হয়েছে, উত্তরবঙ্গের রাস্তার অনেক উন্নতি হয়েছে, চন্দ্রার আগের সেই ৮/১০ ঘণ্টার যানজট নেই, সরকাির ছুটি বাড়ানো হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে যাত্রীরা ঢাকা ছাড়বে। ফলে যানবাহনের চাপও কম থাকবে।গরমের কারণে দিনে যাত্রীর চাপ কম, রাতে যাত্রীর চাপ বাড়তে পারে।

যাত্রীদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, রাস্তায় গমনকালে সহযাত্রী কিংবা কারো দেওয়া কোনোকিছু খাবেন না। এতে করে আপনি অজ্ঞান পার্টি কিংবা মলম পার্টির খপ্পরে পড়তে পারেন। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উৎসবমুখর পরিবেশে নিরাপদে উদযাপন করতে পারবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইজিপি।

তিনি বলেন, অনেকেই গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সময় ঢাকার বাসায় স্বর্ণালংকার, টাকা-পয়সা রেখে যান। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যদি যেতে চান তাহলে টাকা-পয়সা ও গয়না আত্মীয়-স্বজনের কাছে রেখে যান।

তিনি আরো বলেন, এই সময়ে দেখা যায় বিভিন্ন টুরিস্ট স্পটে জনসমাগম বেশি হয়। সবগুলো বিষয় বিবেচনা রেখে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ঢাকা মহানগর পুলিশের পাশাপাশি জেলাগুলোতে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশ, স্পেশালাইজড ইউনিট সোয়াট, এটিও, বোম ডিস্পোজাল ইউনিট, এপিবিএনসহ বাংলাদেশ পুলিশের সব ইউনিট নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ঈদের সময় দায়িত্ব পালন করবে। ঢাকাসহ সারাদেশে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ পুলিশ ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে কমলাপুর রেলস্টেশন ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন করেন।






