দেখতে দেখতে ট্রান্সফার মার্কেট বন্ধ হওয়ার পথে। ৩১ আগস্ট শেষ হবে দলবদলের বাজার। সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ থেকে আগামী জানুয়ারির আগে আর কোনো খেলোয়াড় কিনতে পারবে না ইউরোপিয়ান দলগুলো। দলবদলের বাজারের শেষ মুহূর্তে ফিলিপে কৌতিনহো এবং অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ অব্যাহত রেখেছে বার্সেলোনা।
নেইমার পিএসজিতে যাওয়ার পর মোটা অঙ্কের অর্থ হাতে আসে বার্সেলোনার। ট্রান্সফার মার্কেটে তাই বেশ কয়েকজন বিশ্বমানের খেলোয়া কিনতে চায় কাতালান ক্লাবটি। উসমান ডেম্বেলে ছাড়া তেমন আলোচিত কোনো খেলোয়াড়কে কিনতে পারেনি ন্যু-ক্যাম্পের দলটি। কৌতিনহো এবং ডি মারিয়ার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা অব্যাহত রাখার পণ করেছে বার্সা।
লিভারপুল বরাবরই কৌতিনহোকে বিক্রি করবে না বলে জোর গলায় বলে আসছে। তবে চার-চারবার লিভারপুল ফিরিয়ে দেয়ার পরও আশা ছেড়ে দেয়নি বার্সেলোনা। দলবদলের শেষ মুহূর্তে কোনো পক্ষই এখন মুখ খুলছে না। তবে স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কার দাবি, কৌতিনহোকে পাওয়ার জন্য দেন-দরবার এখনো অব্যাহত রেখেছে লিওনেল মেসির দল।
বেশ কয়েকটি সূত্র জানায়, কৌতিনহোকে বার্সেলোনার কাছে বিক্রি করতে নাকি সম্মত হয়েছে লিভারপুল। বার্সেলোনায় আসার জন্য এই ব্রাজিলিয়ান তারকা বেশ মরিয়া। তবে কোনো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতিতে কৌতিনহো এখন ব্রাজিলে রয়েছেন। ইউরোপিয়ান কয়েকটি গণমাধ্যমের দাবি, বার্সেলোনায় আসার জন্য নাকি লিভারপুলের সঙ্গে ‘যুদ্ধ’ অব্যাহত রেখেছেন কৌতি। আগামী ৩১ তারিখের মধ্যে কী ঘটে সেটি আগ বাড়িয়ে বলা যাচ্ছে না।
ডি মারিয়ার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার জন্য চেষ্টার কোনো কমতি রাখেনি বার্সেলোনা। তবে পিএসজি এবং বার্সেলোনার বোর্ডের মধ্যকার সাম্প্রতিক সাপে-নেউলে সম্পর্কের কারণে চুক্তি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু তারপরও ডি মারিয়ার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বার্সেলোনা। দেখা যাক, বৃহস্পতিবারের মধ্যে কী ঘটে!





