কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘তুলা চাষ বিভিন্নভাবে চাষিদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমান হাইব্রিড সিড প্রবতর্নের মাধ্যমে চাষি পর্যায়ে তুলা চাষের ব্যাপক সাড়া পরেছে। যদিও আমরা তুলা রপ্তানিকারক দেশ। বর্তমানে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার জন্য উপকূলীয় অঞ্চলে এমনকি রবি মৗসুমে আমন ধান কাটার পরে তুলা চাষ করা হয়।’
সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক উপ-সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি জেবা রেয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে গেলে একথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
মন্ত্রি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জোরদার অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। যার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশ ও আমেরিকার সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক। আর এই দুইয়ের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশের প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগকারী রাষ্ট্রও যুক্তরাষ্ট্র।’
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিবৃন্দ বলেন, আমেরিকা অনেক উন্নত মানের তুলা উৎপন্ন করে। সম্প্রতি কৃষিতে বাংলাদেশের সাফ্যলে তারা উচ্ছসিত এবং বাংলাদেশের কৃষির উন্নয়নে পাশে থাকতে চায়।
এ সময় ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এ বন্ধন হবে অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বসুলভ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বহুমাত্রিকভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করতে পারে। আমাদের কৃষি ক্ষেত্রে প্রয়োজন আধুনিক ও বাণিজ্যিক কৃষি এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন বিনিয়োগ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত, রপ্তানী ও মূল্যসংযোজন আশা করি।’ এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পক্ষে এগিয়ে আসবে বলে মনে করেন কৃষিমন্ত্রী।




