কেস ফলোআপঃ ১৪
ঘটনার তারিখ ও সময়: ১৮/১২/২০১৭ তারিখ ভোর রাত অনুমান ০৬.১৫ টা।
ঘটনাস্থল: যাত্রাবাড়ী থানাধীন দয়াগঞ্জ রেল লাইনের পূর্ব পাশে ২২/৩ দয়াগঞ্জ ভিশন ইম্পেরিয়ামের সামনে পাকা রাস্তার উপর।
বাদী: মোঃ শাহ আলম (ভিকটিমের বাবা)
মামলা নং: যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নং-৬৭, তারিখঃ ১৮/১২/২০১৭ ইং।
ধারা: ৩৯২/৩০২ পিসি।
তদন্তকারী সংস্থা: যাত্রাবাড়ী থানা, ডিএমপি, ঢাকা।
অভিযোগ পত্র: যাত্রাবাড়ী থানার অভিযোগ পত্র নং-১২৯০, তারিখ: ২৩/০৮/২০১৮ ইং।
ধারা: ৩৯২/৩০২ পিসি।
মোট অভিযুক্ত: ১ জন ।
আলামত: ০৩ টি।
মোট সাক্ষী: ২১ জন ।
মোট নিহত: ০১ জন।
ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি: ০১ জন।
এজাহারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
বাদী থানায় এসে অভিযোগ করেন যে, তার বড় ছেলে আল আমিনকে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে গত ১৭/১২/২০১৭ তারিখ লঞ্চ যোগে সখিপুর হতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ১৮/১২/২০১৭ ইং তারিখ ভোর অনুমান ০৪.৩০ টায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছান। ভোর অনুমান ০৫.৪৫ টায় বাদী স্ত্রী সন্তানদের নিয়া শনির আখরা তার স্ত্রীর বড় বোনের বাসার উদ্দেশ্যে রিক্সাযোগে রওনা দেয়। ভোর অনুমান ০৬.১৫ টায় যাত্রাবাড়ী থানাধীন দয়াগঞ্জ রেল লাইনের পূর্ব পাশে ২২/৩ দয়াগঞ্জ ভিশন ইম্পেরিয়ামের সামনে পাকা রাস্তার উপর রিক্সাটি পৌঁছলে অজ্ঞাতনামা ১ জন ছিনতাইকারী বাদীর স্ত্রীর হাতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ধরে সজোরে হেচকা টান দিলে বাদীর স্ত্রী এবং তার কোলে থাকা ৬ মাসের শিশু সন্তান আরাফাত হোসেনসহ রিক্সা হতে পাঁকা রাস্তার উপর পরে যায়। বাদীর ছেলে আরাফাত হোসেন মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। ছিনতাইকারী বাদীর স্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগটি নিয়া পালিয়ে যায়। বাদী এবং পথচারীদের সহায়তায় আঘাতপ্রাপ্ত আরাফাত হোসেনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তদন্ত:
চাঞ্চল্যকর এই মামলাটির তদন্তভার গ্রহন করে ডিএমপি’র যাত্রাবড়ী থানা পুলিশ। দীর্ঘ তদন্তে সাক্ষ্য প্রমাণে অত্র মামলায় ১ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ পায় এবং ১ জনকেই গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী বিজ্ঞ আদালতে কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
গ্রেফতারকৃত ০১ জন হলো:
১। মোঃ রাজিব ফকির
মামলার বর্তমান অবস্থা: মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।





