ডিএমপি নিউজঃ মেয়েদের সাথে ফেসবুকে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ছবি তুলে পরিবারের লোকজনের নিকট ফেসবুকে মেসেঞ্জারে প্রেরণ করে চাঁদা দাবি কারি চক্রের দুইজনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতদের নাম-মোঃ মঈনুদ্দিন সাইমুন (২০) ও মেহেদী হাসান রিপন (২০)।
১৭ এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ০৪.১৫ টায় কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি এলাকার তাসফিয়া গার্ডেন নামক রেস্টুরেন্টের সামনে হতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৩ এপ্রিল’১৯ নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীর সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে মোঃ মঈনুদ্দিন সাইমুনের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে মেয়েটার সাথে দেখা করতে চায় সাইমুন। মেয়েটা সরল বিশ্বাসে গত ১২ এপ্রিল বিকাল ০৪:০০ টার দিকে কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি এলাকায় তার সাথে দেখা করতে যায়। ঐ সময় সাইমুন মেয়েটাকে তার বন্ধু আসিফের সাথে পরিচয় করে দেয়। গত ১৫ এপ্রিল বিকাল ০৫:০০ টার দিকে সাইমুন পুনরায় মেয়েটাকে দেখা করতে বলে। মেয়েটা হালিশহর ফইল্যাতলী বাজারের ভাই ভাই রেস্টুরেন্টে তার সাথে দেখা করতে যায়। সেখানে সাইমুনের সাথে আসিফও ছিল। এই সুযোগে সাইমুন মেয়েটার সাথে কিছু অন্তরঙ্গ ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরবর্তী সময়ে সাইমুন মেয়েটাকে ফোন করে ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং অন্তরঙ্গ ছবিগুলো মেয়েটার বোনের ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে প্রেরণ করে। টাকা না দিলে ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবে বলে হুমকি দেয় তারা। একপর্যায়ে পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানায় মেয়েটা। কোতোয়ালী থানা পুলিশের শরণাপন্ন হয় মেয়েটার পরিবার। তাদেরকে গ্রেফতারের ফাঁদ আটে পুলিশ। মেয়েটার মাধ্যমে দাবিকৃত টাকা নিতে আসতে বলা হয় তাদেরকে।
কথা মতো ১৭ এপ্রিল বিকাল সোয়া চারটার দিকে সাইমুন, আসিফ ও মেহেদী হাসান রিপন তাদের দাবিকৃত টাকা নেয়ার জন্য কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি এলাকায় তাসফিয়া গার্ডেন নামক রেস্টুরেন্টের সামনে যায়। সেখানে গেলে পুলিশ তাদের মধ্যে সাইমুন ও মেহেদী হাসান রিপনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। তাদেরকে গ্রেফতারের পর সাইমুনের মোবাইল ফোনটি জব্দ করে পুলিশ।
এ সংক্রান্তে তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা রুজু হয়েছে।





