মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন । তারপরও তেহরানকে নতজানু করতে না পেরে এখন ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তিনি। মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি টুইট বার্তায় ইরানের নেতৃত্বের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প লিখেন, ভালো ও সহানুভূতিশীল কথা ইরানি নেতৃবৃন্দের পছন্দ নয়। বরং তারা শক্তি ও বলপ্রয়োগের ভাষা ভালো বোঝেন। ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনায় নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেও টুইট করেন ট্রাম্প। এসময় হুমকি দিয়ে তিনি লিখেন, যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী এবং এই বাহিনীর পেছনে গত দুই বছরে দেড় ট্রিলিয়ন ডলার অর্থ খরচ করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত বহুবার ইরানি জনগণকে ‘সন্ত্রাসী’ বলে অভিহিত করেছেন। তবে এখন তার মুখ থেকে ইরানি জনগণের জন্য সহানুভূতি উথলে উঠেছে। নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে ইরানি জনগণের জন্য খাদ্য ও ওষুধের মতো জরুরি পণ্য আমদানিতে বাধা দেয়ার কথা চেপে গিয়ে ট্রাম্প তার টুইটার পোস্টে আরও লিখেছেন, ইরানি জনগণ বিনা অপরাধে কষ্ট পাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ট্রাম্প সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করছেন এবং অন্যদিকে তেহরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যাচ্ছেন। গতকালও তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, তার কার্যালয় ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র আট শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
এ সম্পর্কে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার দরজা চিরতরে বন্ধ করে দিয়েছে।





