ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে ২৭ রানের ব্যবধানে বাংলাদেশ জিতেছে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। সঙ্গে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত করেছে টি-টোয়েন্টি সিরিজও। বাংলাদেশের দেওয়া ১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১৮.৩ ওভারেই গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয়ানরা।
টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১২৯ রান করে। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনোমতে ১০২ রান করে। উইকেট আগের দিনের তুলনায় একটু ধীর গতির ছিল। বল সহজেই ব্যাটে আসছিল না। তাই শট খেলা কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। বাংলাদেশও টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ধুঁকছিল। শামীম হোসেন উইকেটে না আসা পর্যন্ত আত্মবিশ্বাস ছিল তলানীতে। ১৪.২ ওভারে ৬ উইকেটে বাংলাদেশের রান তখন ৭২।
সেখান থেকে পরবর্তী ১৭ বলে শামীম দলের স্কোরবোর্ডের চিত্র পাল্টে দেন। ২টি করে চার ও ছক্কায় ২০৫.৮৮ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে ১৭ বলে ৩৫ রান করেন শামীম। এছাড়া আফিফের জায়গায় দলে ফেরা মেহেদী হাসান মিরাজ ২৫ বলে ২৬ রান করে মান রাখেন। জাকের আলী করেন ২০ বলে ২১ রান। বাকিরা কেউ বিশের ঘর পেরোতে পারেনি। দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন কেবল সৌম্য ও মাহেদী। দুজনই ১১ রানের দুটি ইনিংস খেলেন।
স্কোরবোর্ডে ৪২ রান জমা করতেই স্বাগতিকদের ৬ ব্যাটসম্যান সাজঘরে। পেসার তাসকিন তৃতীয় ওভারে দুই ওপেনারকে আউট করেন। স্পিনার মাহেদীর পরপর দুই ওভারে শিকার জনসন চার্লস ও নিকোলাস পুরান। এরপর হাসান মাহমুদ ক্যারিবীয়ান অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েলকে এবং তানজিম সাকিব আউট করেন রোমারিও শেফার্ডকে।
আকিল হোসেনকে সাথে নিয়ে রোস্টন চেজ চেষ্টা চালিয়েছিলেন। ৪৯ বলে গড়েছিলেন ৪৭ রানের জুটি। ভয় দেখানো এই জুটি লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ভাঙলে বাংলাদেশের পেছনে ফিরে তাকানোর কোনো কারণ ছিল না। বাকি পথটা ছিল একেবারেই মসৃণ। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আকিল ৩১ রানে আউট হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিরিজ হার নিশ্চিত হয়ে যায়। তার চেয়ে ১ রান বেশি করেন চেজ। বৃথা যায় তাদের প্রাণান্তকর চেষ্টা।
মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে তাসকিন ছিলেন বাংলাদেশের সেরা। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন মাহেদী, তানজিম ও রিশাদ। ব্যাটিংটা ঠিকঠাক না হলেও বোলিং নিয়ে বাংলাদেশ পরপর দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে। সিরিজ জয়ের ম্যাচের নায়ক হয়েছেন শামীম হোসেন। ২০ ডিসেম্বর এই মাঠেই হবে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি।তথ্যসূত্র:রাইজিংবিডি




